শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:০০
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

বরিশালে কিশোরী ধর্ষণের দায়ে তরুণের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ডেক্সরিপোর্ট: বরিশালে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অপরাধে আবু বক্কর সিদ্দিক (২৫) নামে তরুণকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু আজাদ শামীম বুধবার দুপুরে এ আদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম আবু বক্কর সিদ্দিক (২৫)। তিনি সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালতের রায়ে আরও বলা হয়েছে, ধর্ষণের ঘটনার পর জন্ম নেওয়া শিশুকে আবু বক্কর সিদ্দিকের সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ওই শিশু সাবালক না হওয়া পর্যন্ত তার ভরণপোষণের দায়িত্বও আবু বক্করের বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যর্থ হলে আসামির সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হবে। ওই সম্পদ দিয়ে সন্তানের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করা হবে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ফজলুল হক বলেন, ২০০৫ সালের ১৩ মার্চ আবু বক্কর তাঁর আত্মীয় এক কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন।

এ ঘটনায় কিশোরী গর্ভবতী হয়ে পড়ে। বিষয়টি প্রকাশ পেলে স্থানীয় লোকজন সালিস করে কিশোরীকে বিয়ের করতে আবু বক্করকে নির্দেশ দেন। তবে তিনি বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। এ ঘটনায় কিশোরী বাদী হয়ে ২০০৬ সালের ১৬ মার্চ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করে। তদন্ত শেষে একই বছরের ৩ ডিসেম্বর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। এরপর ১৬ জনের সাক্ষ্য নেন আদালত।